ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেয়ার বিষয়ে যে বার্তা দিলেন ডিএমপি কমিশনার
ছবি :সংগৃহীত
মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের লেক রোডে এআই ক্যামেরা দ্বারা ট্রাফিক মামলা দায়ের ও যানবাহন মনিটরিং কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে এ কথা জানান তিনি।
ঢাকার রাস্তায় ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকের দাপটে ট্রাফিক–ব্যবস্থা ভেঙে
পড়ার দশা। এই বাহনগুলোর কোনো আইনি ভিত্তি নেই। গঠন, নিবন্ধন, চলাচলযোগ্যতা—কোনো কিছুরই বালাই
নেই।
রাজধানীতে কি পরিমাণ ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল করছে, নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতা
না থাকায় তার সঠিক পরিসংখ্যানও নেই। ঢাকার বিভিন্ন সড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এই
ক্যামেরা চালু হলেও সেটিরও তোয়াক্কা করছে না রিকশাচালকেরা।
ডিএমপির একার পক্ষে ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেয়া সম্ভব নয় জানিয়ে কমিশনার
বলেন, নিয়মিত অভিযান চলছে, সমস্যা সমাধানে সমন্বিতভাবে কাজ করছে পুলিশ।
এদিকে কদিন আগেও সিগন্যালে গাড়ি থামাতে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যদের রীতিমতো
ছোটাছুটি করতে হতো। এখন সেটি লাগছে না। ট্রাফিক আইন মানাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা
এআই ক্যামেরা বসানোর পর থেকেই এ পরিবর্তন।
রাজধানীর ১৮টি মোড় বা ক্রসিংয়ে এই ক্যামেরা বসানো হয়েছে জানিয়ে ডিএমপি
কমিশনার বলেন, চালুর পর এখন পর্যন্ত মামলা হয়েছে দেড় হাজার। সমন জারি করা হয়েছে ৩৮
হাজার।
ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে ৭ মে থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার
শুরু করে ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে সেই গাড়ি শনাক্ত
করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট গাড়ির মালিকের নামে ডিজিটালি মামলা দেয়া হচ্ছে।
মন্তব্য করুন